সর্বশেষ :
সিলেটে ৯ দিন ধরে গৃহবধূ নিখোঁজ ছাতকে মসজিদের তহবিল লুটের ঘটনায় হত্যাকাণ্ড: দ্রুত বিচার ও গ্রেফতারের দাবি পেট্রোল পাম্পের ধর্মঘট প্রত্যাহার, তবে ডিপো থেকে তেল তুলবেন না ব্যবসায়ীরা সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য : প্রধানমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়ায় পয়েন্টশূন্য বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল: প্রশ্নে বাফুফের প্রস্তুতি যুদ্ধের বলি প্রবাসী, সিলেটে মরদেহ গ্রহণ করলেন মন্ত্রী খাদিমপাড়ায় অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে মন্নানের ৬ মাসের কারাদন্ড ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যে ৪ বাংলাদেশি নিহত মৌলভীবাজারে প্রাইভেটকার নিয়ে প্রকাশ্যে তরুণীকে অপহরণের চেষ্টা, যা জানা গেলো সিলেটে যুবককে অপহরণের পর গোপন আস্তানায় জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবি, আটক ১০

সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য : প্রধানমন্ত্রী

সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য : প্রধানমন্ত্রী

একুশে সিলেট ডেস্ক

সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নেরও আশ্বাস দেন তিনি।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তিসংলগ্ন) ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নারীদের স্বাবলম্বী ও ক্ষমতায়ন করতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে। সরকার পর্যায়ক্রমে চার কোটি পরিবারকে আগামী ৫ বছরে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবে।’

এ সময় তিনি আগামী মাসের মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম শুরু করারও প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, প্রাথমিকভাবে ঢাকার কড়াইল ও ভাসানটেক বাগানবাড়ি বস্তি, রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরসহ দেশের ১৪টি স্থানে এই প্রকল্প চালু হচ্ছে। এর আওতায় নির্বাচিত নারীরা মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন; এ সময় তিনি অন্য কোনো ভাতা বা সুবিধা পাবেন না। তবে পরিবারের অন্য কেউ কোনো সুবিধা পেয়ে থাকলে তা বহাল থাকবে।

পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। রাজধানীর কড়াইল বস্তি, ভাসানটেক বাগানবাড়ি বস্তি, রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর, বান্দরবানের লামা, খুলনার খালিশপুর, ভোলার চরফ্যাসন, সুনামগঞ্জের দিরাই, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, বগুড়া সদর, নাটোরের লালপুর, ঠাকুরগাঁও সদর এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ জন্য ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়। ওয়ার্ড কমিটির সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, ব্যবহৃত গৃহস্থালিসামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার ও মোবাইল), রেমিট্যান্স প্রবাহসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে এসব তথ্য ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হয়।

পাইলট পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণ করে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য যাচাইয়ের পর ৪৭ হাজার ৭৭৭টি সঠিক পাওয়া যায়। এরপর একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা নেওয়া, সরকারি চাকরি বা পেনশনভোগী হওয়া ইত্যাদি বিবেচনায় চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন পরিবারের নারীপ্রধানকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.




© All rights reserved ©ekusheysylhet.com
Design BY DHAKA-HOST-BD
weeefff